Posts

বদলে যাওয়ার গল্প

Image
নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে আমি। পরিবারে বাবা-মা, আমি ছাড়া আর কেউ নেই। ছোটবেলায় পড়ালেখার প্রতি প্রচুর আগ্রহ থাকার কারণে বাবা-মা দারিদ্র হওয়া সত্ত্বেও বাঁধা দেয়নি। কিন্তু বাঁধ সাধলো হাই স্কুলে উঠার পরে। কারন, পড়ালেখার জন্য এখন অনেক টাকা খরচ করতে হয়। টাকার কারণে আমার পড়ালেখা বন্ধ হয়নি। তবে টাকা উপার্জন করতে আমাকে অনেক কষ্ট করতে হলো। এই কষ্টের কিছুটা লাঘব ঘটলো অনার্স এ উঠার পর। তখন কিছু প্রাইভেট পড়িয়ে নিজের খরচের টাকা ম্যানেজ করতাম এবং বাবা- মায়ের জন্যও সামান্য কিছু দিতাম। ভাবলাম এখন আর কষ্ট করতে হবে না। কিন্তু জীবনের শুরু যে এখনো বাকি তা বুঝলাম B.C.S পরীক্ষার সময়। মাষ্টার্স শেষ করার পর নিজেই B.C.S পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করলাম। পরীক্ষার তিন মাস আগে ঢাকায় যাওয়ার জন্য রেডি হলাম। ঢাকায় আমার দূর সম্পর্কের এক চাচার কাছে যাবো বলে স্থির করলাম। কিছু বই, জামা-কাপড় আর নিজের খরচের জন্য কিছু টাকা নিয়ে রওনা হলাম। অনেক কষ্টের পর যখন ঢাকার মাটিতে পা রাখলাম তখন থেকেই আমার বিপদ শুরু হয়। প্রথমে পরি ছিনতাইকারীদের কবলে। তারা আমার টাকা-পয়সা, জামা- কাপড় সব নিয়ে যায়। শুধু বই-খাতা গুলো রেখে যায়। ...

সত্যিকারের ভালবাসা কখনো শেষ হয়না

Image
কে? কে ওখানে? কোন সাড়া শব্দ পাওয়া যাচ্ছেনা। সোমার মত দেখা যাচ্ছে, কিন্তু সোমা এখানে আসবে কেন? এত রাতে সোমা আমার কাছে কি চায়? . ২০১৪ সালের ২রা ডিসেম্বর সোমা আমাকে ভুলে যেতে বলেছিল। ভুলে যাওয়াটা কি এতই সোজা? পৃথিবীর সবাই যদি চিৎকার করেও বলে আমি আমার ভালবাসার মানুষকে ভুলে গেছি তবুও আমি বিশ্বাস করবনা। আর আমি বাকি জীবনে তপস্যা করেও সোমাকে ভুলে যাওয়া আমার পক্ষে সম্ভবনা। সেদিন আমাকে ভুলতে বলে সোমা কেন কেঁদেছিল? সে আমাকে যদি ভালই না বাসত তাহলেতো আর কাঁদতনা। প্রিয়জনকে ছেড়ে যাবার সময় কলিজা ছিড়ে যায় এমন মনে হয়। . আমাদের ভালবাসা যখন আড়াই বছর পেরিয়ে গেল তখন থেকে আমার জীবনে নেমে এল অন্ধকার। যে সোমা প্রতিটাদিন সকালে আমাকে ফোন করে জিজ্ঞেস করত আমি নাস্তা করেছি কিনা, যদি বলতাম হ্যাঁ করেছি তখন সে নাস্তা করত। সোমাকে খাওয়ানোর জন্য অনেক সময় মিথ্যে বলতাম, হ্যাঁ খেয়েছিগো। জানতাম, যদি বলি খাইনি তাহলে সেও না খেয়ে থাকবে। সেই সোমাকে আমি ঘন্টার পর ঘন্টা মোবাইলে ওয়েটিং পেয়েছি। আমি নাস্তা করেছি কিনা প্রশ্নও করতনা। পরে যখন ফোন রিসিভ করত, তখন কড়া মেজাজে কথা বলত। আমি অবাক হয়ে ভাবতাম, এটাতো আমার সোমা না। ওর এমন পরিবর্...

বিরহ প্রেমের গল্প

Image
১ ধানমন্ডি লেকের ধারে বসে ঝগড়া করছে মিঠু আর নাসরিন। আমি তাকিয়ে তাকিয়ে দেখছি। মিঠু আর নাসরিন এক সাথে পড়ে। দু জন-ই আমার ভাল বন্ধু। কাঁটায় কাঁটায় তিরিশ মিনিট হল ওরা ঝগড়া করছে। আমি এসেছি ওদের ঝগড়া মেটানোর জন্য। আগের দিন ফোন করে এখানে আসার কথা বলেছিল নাসরিন। কিন্তু দু জনকে থামিয়ে দিয়ে সব মিলিয়ে এখনো পাঁচটা কথা বলতে পেরেছি কিনা সন্দেহ। নাসরিন মেয়েটা সুন্দরী।সাদামাঠা একটা ড্রেস পরে এসেছে। মুখেও তেমন একটা মেকাপ নেই। চোখে সামান্য একটু কাজল, আর ঠোঁটে লিপস্টিক। মিঠু কালো হলেও তার মধ্যে এমন একটা ম্যানলি ব্যাপার আছে যে, কোন মেয়ে একবার দেখলে আগ্রহ নিয়ে তার দিকে দ্বিতীয়বার তাকাবে। "তুই-ই বল রাহাত" আমার দিকে তাকিয়ে বলল নাসরিন; "ওর মত মিথ্যুক আর ইরেস্পন্সিবল ছেলে তুই তোর জীবনে দেখেছিস?" "তোদের ঝগড়ার মধ্যে আমাকে টানছিস কেন" "ওমা এ কী কথা তোকে এখানে আসতে বললাম কেন?" "যে কাজের জন্য আসতে বলেছিস তা তো তোরা নিজে নিজে-ই কী সুন্দর সমাধান করছিস!" "তুই আবার রাগ করছিস কেন?" মিঠু বলল; "আচ্ছা থাক এখন বল আমাদের মধ্যে কার দোষ বেশি আর আমাদের কার কি করা ...

আজও তোমায় ভালবাসি গল্পটি পরলে আপনারো চখে জল আসবে।

Image

প্রেম ব্রেকাপ

:হ্যা আমি একজন ছেলে হয়ে,ছেলেদের বিরুদ্ধে কথা বলছি,যারা ভালো ছেলে তারা অবশ্যই আমার সাথে একমত হবে, আপনি প্রেমের ফাদে ফেলে যে মেয়েটার সর্বনাশ করতে চাচ্ছেন সে ও কিন্তুু আপ...
Image
যে ছেলেটা কাজের চাপে থেকে তোমাকে ফোন দিয়ে বলে, আমি তোমার সাথে কথা বলতে পারছিনা,সময় দিতে পারছিনা,তাই বলে তুমি অন্য কোন ছেলের সাথে কথা বল না প্লিজ।কোন ছেলের সাথে চ্যটিং করনা প্লিজ।আমি ফ্রি হয়ে তোমায় কল দিবো।মনে করো সেই ছেলে তার জীবনের থেকেও তোমাকে বেশি ভালোবাসে। সব সময় তোমাকে হারানোর ভয় পায়। এমন ছেলেকে কখনো কষ্ট দেওয়া উচিত না,,,,,,,,,,
প্রতিদিন মাত্র ২ কোয়া কাঁচা রসুন খাওয়ার উপকারিতাঃ ১) হৃদপিণ্ডের সুস্থতায় কাজ করে। কোলেস্টেরল কমায়। এতে করে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমে। ২) শিরা উপশিরায় প্লাক জমতে বাঁধা প্রদান করে। রক্ষা করে শিরা উপশিরায় মেদ জমার মারাত্মক রোগ অথেরোস্ক্লেরোসিসের হাত থেকে। ৩) উচ্চ রক্ত চাপের সমস্যা দূর করে। ৪) গিঁট বাতের সমস্যা থেকে রক্ষা করে। ৫) ফ্লু এবং শ্বাস প্রশ্বাসের সমস্যা দূর করতে সহায়তা করে। ৬) অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান দেহে খারাপ ব্যাকটেরিয়া প্রবেশ, জন্ম এবং বংশবিস্তারে বাঁধা প্রদান করে। ৭) যক্ষ্মা রোগের হাত থেকে রক্ষা করে। ৮) দেহের বিভিন্ন অংশের পুঁজ ও ব্যথাযুক্ত ফোঁড়ার যন্ত্রণা কমায়। ৯) যৌনমিলনের অসাবধানতা বশত রোগ ট্রিকোমোনিয়াসিসের হাত থেকে রক্ষা করে। ১০) হজমশক্তি বাড়ায় ও কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করে। ১১) কোলন ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। ১২) গলব্লাডার ক্যান্সার মুক্ত রাখে। ১৩) স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়। ১৪) রেক্টাল ক্যান্সারের হাত থেকে রক্ষা করে। ১৫) প্রোস্টেট ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে সহায়তা করে। ১৬) পরিপাকতন্ত্রের নানা সমস্যা দূর করে। ১৭) ইষ্ট ইনফেকশন দ...